বৃদ্ধ বয়সে ভালো থাকবেন কি করে ?
বৃদ্ধ বয়সে ভালো থাকবেন কি করে ?
বলা হয়, পৃথিবীটা যৌবনের। এই যে জীবন, তাও নাকি যৌবনের। আমি বলি, সব বয়সের একটা সৌন্দর্য্য আছে, একটা বিশেষ আস্বাদন আছে, সব বয়সেই যেমন আনন্দ আছে, তেমনি দুঃখ আছে । দাঁত থাকতে যে জিনিসটি আপনি খেতে পারতেন, তা আর আজ হয়তো খেতে পারবেন না, তবে বৃদ্ধ বয়স কালেও অনেক কিছু পাবার সম্ভাবনা আছে। আপনাকে কেবল খুঁজে নিতে হবে।
বৃদ্ধ বয়সের সমস্যাকে একবার একটু বুজে নেবার চেষ্টা করি।
১. শারীরিক অসুস্থতা : প্রথমেই বলি, যার শরীর ভালো নেই, তার জীবনটা বিস্বাদ হয় গেছে। আগের থেকে যদি শরীরের দিকে খেয়াল না করে থাকেন, তথাপি, এখন থেকেই শরীরের দিকে নজর দিন।
২. নিঃসঙ্গতা জনিত মানসিক কষ্ট - নিঃসঙ্গতা কাটানোর জন্য ঠাকুরের আশ্রয় থাকুন।
৩. আর্থিক কষ্ট কাটাবার জন্য সাধ্য অনুযায়ী কিছু আর্থিক কর্ম্ম করুন। মিথ্যে অভিমান ত্যাগ করে, বসে থাকবেন না। যেকোনো কাজ উৎসাহের সঙ্গে সর্ব্বশক্তি দিয়ে করবার চেষ্টা করুন। পয়সার পিছনে ছুটবেন না, কাজটা অন্তর দিয়ে করুন, তবে দেখবেন পয়সা আপনার পিছনে ছুটছে। ভিড়ে হারিয়ে যাবেন না - নিজেকে স্বতন্ত্র রাখুন।
আর্থিক কষ্ট : এই আর্থিক কষ্টের কারন হচ্ছে বৃদ্ধ বয়সে আপনি আর শারীরিক পরিশ্রম করতে পারেন না। আমরা কেউই পারি না। এছাড়া সারা পৃথিবীতেই আমাদের একটা বয়সের পরে আমাদের কর্ম্মক্ষেত্র থেকে অবসর নিতে হয়। এটা যেমন একটা সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিয়ম, ঠিক তেমনি ঈশ্বরের জগতেও এই একই নিয়ম চিরকাল বহাল আছে। শরীর বৃদ্ধ বয়সে পরিশ্রমের সহায়ক হয় না। তো এই নিয়মের বাইরে আমরা কেউ নোই। যারা দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম্ম বোঝেন নি - তাদের তো একটু কষ্ট স্বীকার করে নিতে হবে। তবে একটা জিনিস জানবেন, সমস্ত জীবের শরীর রক্ষার জন্য, ভগবান কোনো কোনো ব্যবস্থা করে রেখেছেন। পশু পাখি কেউ সঞ্চয় করে না, করতে পারে না। বাঘ সিংহ কুকুর বিড়াল কেউই বৃদ্ধ বয়সের জন্য সঞ্চয় করে রাখেনা । এতে করে হয়তো এদের মধ্যে কেউ কেউ না খেয়ে মারা যায়। কিন্তু এও সত্য যারা গৃহ পালিত, অর্থাৎ মানুষের কাছাকাছি যারা থাকে, তাদের ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য, ভগবান কিছু না কিছু ব্যবস্থা অবশ্যই করে দেন। রাস্তার কুকুরকেও কেউ না কেউ বিস্কিট, খাবার দিয়ে থাকে। দুর্গম পাহাড়ের নির্জন গুহায় যে মহাত্মা ঈশ্বরের সাধনা করছেন, তাঁকেও ভগবান আহারের ব্যবস্থা করে থাকেন। ভগবানের প্রতি যারা নির্ভর করেন, তাদের সমস্ত প্রয়োজন ভগবান তাঁর ইচ্ছেমতোই পূরণ করে থাকেন। তবে এই সত্য উপলব্ধি করতে গেলে, ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা আর নিষ্কাম হয়ে অপেক্ষা করতে হয়। নিজের মধ্যে সহ্যশক্তি বাড়াতে হয়। ভগবান কখন তাঁর করুণাহস্ত প্রসারিত করবেন, তা আমরা কেউ জানি না। তাই তাঁর দিকে সমস্ত মন-প্রাণ নিবিষ্ট করে অপেক্ষা করতে শিখতে হবে।
যাই হোক, আপনি তো মানুষ, আর আপনি অবশ্যই গৃহ পালিত। আপনার একটা সংসার আছে, সমাজ আছে। আপনি যদি মানুষের কাছে থাকেন, আপনি যদি মানুষকে ভালোবাসেন, আপনি যদি সহজ সরল শিশুর মতো হয়ে যেতে পারেন, তবে আপনার খাবার অর্থাৎ শরীর রক্ষার জন্য, ভগবান অবশ্যই একটা ব্যবস্থা করে রেখেছেন। এই সত্যকে যদি উপলব্ধি করতে নাও পারেন, স্বীকার করুন। একটা শিশু যখন জন্মায়, তখন সে নিজের চেষ্টায় কিছুই সংগ্রহ করতে পরে না, তাই বলে কি সে না খেয়ে মারা যায়? আপনিও পরিবারের প্রতি আস্থা রাখুন, তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন, নিজের পছন্দ-অপছন্দ ত্যাগ করে কেবল মাত্র শরীর রক্ষার জন্য খাবার খান, দেখবেন, আপনার খাবারের জন্য শুকিয়ে মরতে হবে না।
তো বৃদ্ধ বয়সে শিশুর মতো সরল হতে হবে, নিজের পছন্দ অপছন্দ ত্যাগ করতে হবে, পরিবারের কারুর দোষ দেখতে যাবেন না। তাদের ত্রুটি বিচ্যুতি উপেক্ষা করুন। নিস্পৃহ থাকুন। সমস্ত ব্যাপারে নাক গলাতে যাবেন না। সবাইকে ভালো বাসুন, দেখবেন আপনাকেও সবাই দেখভাল করছে। একটা জিনিস জানবেন, আমাদের সবাইকেই একদিন বৃদ্ধ হতে হবে - আজ যদি আপনি যুবক থাকেন, তবে বৃদ্ধ বয়সের কথা চিন্তা করে সাধ্যের মধ্যে অবশ্যই কিছু কিছু করে সঞ্চয় করুন। আয় বুঝে ব্যয় করুন। তাহলে বৃদ্ধ বয়সে আপনাকে আর্থিক কষ্টে কাটাতে হবে না। শুধু নিজের জন্য নয়, আপনার প্রতি যারা নির্ভরশীল, তাদের কথা চিন্তা করে আয়ের থেকে কিছু টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলুন। যারা ইটা করেননি, তাদেরও হতাশ হবার কিছু নেই। ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস রাখুন, ঈশ্বরের ইচ্ছেকে সন্মান করুন, আপনার অর্থ কম থাকলেও, আর্থিক কষ্টের জন্য খাবারের কাস্ট হবে না।
২. শারীরিক কষ্ট : এবার বলি শারীরিক কষ্টের কথা। দেখুন যতদিন আমাদের শরীর আছে, ততদিন আমাদের শারীরিক ব্যাধির শিকার হতে হবে। সারাজীবন কেউ যদি সুস্থ থাকেও তথাপি মৃত্যু আসন্ন হলে তাকে অবশ্যই ব্যাধিগ্রস্থ হতে হবে। ভগবানের মৃত্যুর দূত এরা। যমরাজ নিজে এই ব্যাধিরূপ দূতকে পাঠিয়ে জীবকে তাঁর কাছে টেনে আনেন। ভগবান যখন এই শরীর তৈরী করেছেন, তখন তিনি এই শরীরের মধ্যে মৃত্যু রূপেই অবস্থান করছেন। জীবের জন্ম হলেই জানবেন, তিনি মৃত্যুর ছায়া দ্বারা আচ্ছাদিত। জীবনে একমাত্র সত্য হচ্ছে মৃত্যু। আর মৃত্যুর দূত হচ্ছে শারীরিক ব্যাধি। আপনি যতই ডাক্তারের কাছে থাকেন, এমনকি আপনি যদি নিজেও ডাক্তার হন, তথাপি এই ব্যাধি আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে না।
তবে হ্যাঁ, ভারতের মুনি ঋষিগণ হাজার হাজার বছর পরীক্ষা করে, এই সত্য আবিষ্কার করতে পেরেছেন যে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী হলেও, অকালমৃত্যু রোধ করা, বা শারীরিক ব্যাধিকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব। আর এর জন্য তারা নানান রকম যোগক্রিয়ার কথা বলেছেন, আহার-বিহারে সংযমের কথা বলেছেন। যার শরীরে যা সহ্য হয় না, তা গ্রহণ করবেন না। পরিমিত আহার, পরিমিত পরিশ্রম, এবং পরিমিত ঘুম শরীরকে সুস্থ সবল রাখতে সাহায্য করে। এই সত্য যেদিন থেকে আমাদের ব্যবহারিক জীবনে প্রতিফলিত হবে, সেদিন এই শরীর আর ব্যাধিগ্রস্থ হবে না। যোগক্রিয়া আমাদের শরীরের মধ্যে একটা সাম্যতা আনতে পারে। আমরা সারা জীবন সুস্থ থাকতে পারি। এই সত্য সেদিন আপনার উপল্বদ্ধিতে আসবে, যেদিন আপনি নিয়ম করে, সকাল সন্ধে অন্তত একঘন্টা করে, যোগ-ধ্যানের মধ্যে কাটাতে পারেন।
আর বৃদ্ধ বয়সে এই কাজটা খুবই সহজ। কেননা এই বয়সে আপনার কাছে অবসর সময় প্রচুর। জীবনে একটা নিয়মানুবর্তিতা আনুন। একটা রুটিন তৈরী করুন। আর সেই রুটিনের মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলুন। একটা কথা জানবেন, শৃঙ্খলা মানুষের জীবনে শুদু সাফল্য নয়, শান্তিও এনে দিতে এনে । অনুলোম বিলোম করুন, কাপালভাতি করুন। মনোযোগ দিয়ে রেচক-পূরক-কুম্ভক করুন। শ্বাসের গতিকে রুদ্ধ করে বাহ্য কুম্ভব ও অন্তঃ কুম্ভক করুন। জানবেন, কুম্ভক মানুষের জীবনের আয়ু বর্দ্ধিত করে দেবার অলৌকিক ক্ষমতা রাখে। শ্বাসের গতিকে ধীর করুন। কিছু না পারেন, স্বাসের দিকে খেয়াল রেখে একঘন্টা চুপচাপ শ্বাসের সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করুন। এতে করে আপনার শারীরিক অসুস্থতা শুধু নয়, আপনার মধ্যে মানসিক শান্তি অনুভৱ করবেন। একটা অহৈতুকী আনন্দ অনুভব করতে থাকবেন। এশুধু কথার কথার নয়, ভারতের মুনি-ঋষিদের পরীক্ষিত এই সত্য আজও সমান ভাবে কার্যকরী। আমার মনে হয়, যোগ মানুষকে ডাক্তারবিমুখ করে দিতে পরে। যোগের অসীম শক্তি যা মুখে বলে শেষ করা যাবে না। তো আপনার বয়স হয়েছে, আপনার, যথেষ্ট সময় আপনার হাতে, আপনি সকালে একঘন্টা আর সন্ধ্যায় এক ঘন্টা এই যোগের মধ্যে কাটাবার অভ্যাস করুন। বেশিক্ষন থাকতে পারলে তো আরো ভালো। দেখবেন আপনার সব দুঃখ, তা সে শারীরিক হোক বা মানসিক, সব অশান্তির নাশ হবে। সব দুঃখের অতীতে চলে যাবেন আপনি।
সকাল বিকেল একটু হাঁটুন। এতেও শরীর ভালো থাকবে। সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে, একটা জিনিস জানবেন, রোগ আমাদের শরীরে নয়, বেশিরভাগ রোগই আমাদের মনে। এই মনকে যদি আপনি ভালো রাখতে পারেন, তবে আপনার শরীর আপনা থেকেই সুস্থ হয়ে যাবে। আপনি নিজেকে যত অসহায় মনে করবেন, আপনি যত ভবিষ্যৎ ভীতির জন্ম দেবেন, তত আপনার শরীর অসুস্থ হবেই, কেউ ঠেকাতে পারবে না । অর্থাৎ আপনার মনে যত ভয় বাসা বাঁধবে, আপনার শরীর তত দুর্বল হবে। তাই শরীর সুস্থ রাখবার জন্য যেমন শরীরের প্রয়োজন মেটাতে হবে, তেমনি আমাদের মনকে দুশ্চিন্তাহীন রাখতে হবে। আপনি অমৃতের সন্তান, আপনার হৃদয়ে ঈশ্বরের বাস, আপনাকে সদা ঈশ্বর রক্ষা করছেন, এই বিশ্বাস দৃঢ় হোক। আপনি একটু ভেবে দেখুন, এই ঈশ্বররূপী বিশ্বশক্তি বা আত্মা যতদিন আপনার শরীরে আছেন, ততদিন এই শরীর খেলে বেড়াচ্ছে। আপনি ক্রিয়াশীল থাকছেন। যেদিন এই আত্মাকে শরীর ছেড়ে চলে যাবে, সেদিন আপনার এই শরীর শুধু জড়বৎ নয়, এই শরীর পচনশীল পদার্থে পরিণত হবে। তো ঈশ্বর আপনার সঙ্গেই আছেন, এই সত্যকে উপল্বদ্ধিতে আনবার চেষ্টা করুন। এই কথা যত আপনি চিন্তা করবেন, আপনার মন তত সাহসী হবে, আপনি নিভীক হয়ে সদানন্দে জগতে বিচরণ করবেন।
৩. নিঃসঙ্গতা : বৃদ্ধ বয়সে সবচেয়ে বড়ো কষ্ট হচ্ছে নিঃসঙ্গতা। বৃদ্ধ বয়সে বহু মানুষ নিঃসঙ্গ হয়ে যান। এর প্রথম কারন হচ্ছে, বৃদ্ধ বয়সে আমাদের সবাইকেই কর্ম্মজীবন থেকে অবসর নিতে হয়। কর্ম্মজীবনে যত বন্ধু তৈরী হয়েছিল, তাদের সঙ্গে ধীরে ধীরে যোগাযোগ বন্ধ হতে থাকে। একসময় এই কর্ম্ম জীবনের বন্ধুরাও অবসর নেয়। এবং ধীরে ধীরে সবাই ঘরবন্দি হয়ে যায়। ফল হচ্ছে, আমরা সবাই বন্ধুহীন হয়ে যাই। আরো একটা কথা হচ্ছে, কর্ম্ম জীবনে আমরা ব্যস্ত থাকবার কারনে, আমরা নিজের আত্মীয় স্বজন থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলি। এই বিচ্ছন্নতা আর সহজে জোড়া লাগে না। নিজের স্বার্থে, নিজের কর্ম্ম ব্যস্ততার কারনে, এমনকি শুধুই নিজের উন্নতি, নিজের ভালো নিজের সুবিধে দেখতে গিয়ে আমরা আত্মীয়স্বজন থেকে এমনকি নিজের ভাইবোন থেকেও নিজেকে আলাদা করে ফেলেছি। এই ফাটল আর বৃদ্ধ বয়সে এসে জোড়া লাগানো যায় না।
তথাপি বলবো, এই নিঃসঙ্গতা কাটাতে আপনি কোনো সৎ-সঙ্গের আশ্রয় নিতে পারেন। সুযোগ পেলেই আপনার পছন্দ মতো যে কোনো ঠাকুরের অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে যোগ দিতে পারবেন। সেখানে আপনি ঠাকুরকে না পান, বহু মানুষের সান্নিধ্য পাবেন। তাদের সাথে একাত্ম হবার চেষ্টা করুন। দেখবেন, সেখানে আবার কোনো নতুন বন্ধু জুটে যাবে। এই বন্ধুর সাথে মত বিনিময় করুন। তাদের সঙ্গে সম্ভব হলে ব্যক্তিগত সুবিধে অসুবিধার কথাও বলা যেতে পারে। তবে সেখানে সাংসারিক ব্যাথা বেদনার কথা না বলে, ঈশ্বরের কাছে নিভৃতে আপনার ব্যক্তিগত ব্যাথা বেদনার কথা বলুন। একটা সময় দেখবেন, ঠাকুর যেন আপনার সাথে কথা বলছে। আর এই বিবেক ঠাকুরের নির্দেশে নিজের কর্তব্য স্থির করুন। ভালো থাকবেন। সমস্যা মিটবে না হয়তো, কিন্তু সমস্যা আপনাকে আর কষ্ট দিতে পারবে না। আপনি নিরুদ্বিগ্ন হয়ে সদাশিব হয়ে উঠবেন।
৪. নিকটজনের বিয়োগব্যাথা : এই নিঃসঙ্গতা সব থেকে বেশি করে দেখা দেয় , যখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেউ একজন দেহ ছেড়ে চলে যান। তখন আর বেঁচে থাকবার ইচ্ছে থাকে না। মনের কথা বলার লোক থাকে না। এই স্ত্রী বিয়োগ বা স্বামী বিয়োগের কষ্ট কাটাতে আশ্রয় হচ্ছে - ঠাকুরের স্মরণাগতি। মনের মধ্যে ঠাকুরের স্মরণ-মনন করতে থাকুন। সম্ভব হলে শাস্ত্রগ্রন্থ পাঠ করুন। নির্জনে ধ্যানাদিতে বা নিদেনপক্ষে মন্ত্রাদি জপ করতে থাকুন। কিছু না হোক, প্রণব মন্ত্রের জপ করুন। প্রতিদিন কিছুক্ষন মৌন থাকবার চেষ্টা করুন। স্বামী বা স্ত্রী বেঁচে থাকতেই এই অভ্যাস গড়ে তুলুন। মাঝে মধ্যে একাকী কোথাও বেরিয়ে আসুন। তবে স্ত্রী বা স্বামীর বিয়োগে অবশ্যই ঠাকুরকে জীবন সঙ্গী করে নিন। ঠাকুরের সঙ্গে কথা বলুন, হাসুন, কাঁদুন - যা ইচ্ছে তাই করুন। দেখবেন, মনের সব কষ্ট চলে গিয়ে, মনতা চনমন করছে। প্রতিদিন নিয়ম করে শাঁখ বাজান,কাঁসর ঘন্টা বাজান আর সেই ঘন্টাধ্বনি শেষটুকু মনোযোগ দিয়ে উপলব্ধি করুন। নিয়মিত শঙ্খ বাজালে, আপনার হার্ট ভালো থাকবে, রক্তের চাপ ঠিক থাকবে। সকালে খালি পেটে ১ সের জল পান করুন।
৫. মৃত্যু ভয় : একটা সময় আসে, যখন আমাদের বন্ধুবান্ধবদের মৃত্যু সংবাদ আসতে থাকে। ফলত নিঃসঙ্গতা বাড়তেই থাকে, এমনকি মাঝে মধ্যে মনে হয়, আমিও একদিন এই পৃথিবী ছেড়ে ওদের মতো চলে যাবো। মৃত্য সম্পর্কে আমাদের সবার একটা প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আছে। আর এই অভিজ্ঞতা আমাদের একটা ভয়ঙ্কর অন্ধকারের বিভীষিকা। আমরা যে কতবার মৃত্যুর নমুখীন হয়েছি, তা আমাদের কারুর মনে নেই, কিন্তু মৃত্যু যেন আমাদের কাছে একটা বিষাদময় অবস্থা, আমাদের আত্মীয় পরিজন, একটা সুরক্ষার বলয় ছেড়ে একটা অনিশ্চয়তার পথে পা বাড়াচ্ছে দেখে একটা অজানা আশঙ্কা আমাদেরকে ঘিরে ফেলে। আমরা ভীত হই। কিন্তু জানবেন, মৃত্যু একটা রূপান্তর মাত্র। আমরা যেমন শিশু থেকে কৈশোরে, কৈশোর থেকে যৌবনে, যৌবন থেকে প্রৌঢ়ত্বে, এবং প্রৌঢ় অবস্থা থেকে বৃদ্ধ অবস্থায় চলে যাই, কিন্তু আমি সেই একই থাকি, ঠিক তেমনি মৃত্যু একটা রূপান্তর মাত্র। এই মৃত্যুর দ্বার পার করে আমরা স্থূল শরীর থেকে সূক্ষ্ম শরীরে প্রবেশ করি, স্থূল থেকে সূক্ষ্ম জগতে প্রবেশ করি । আর এই সূক্ষ্ম জগতের কথা বলা হলো, সেই সূক্ষ্ম জগৎও এই স্থূল জগতের অনুরূপ একটা জগৎ। তো মৃত্যু যেমন অবশ্যম্ভাবী, তেমনি মৃত্যু কোনো বিভীষিকা নয়, বরং মৃত্যুতে আমরা একটা নতুন দেহ পেতে চলেছি। যে বৃদ্ধ দেহে, যে অচল দেহে এখন আমাকে থাকতে হচ্ছে, তার থেকে মুক্তি এনে দিতে পরে আমাদের মৃত্যু।
সবশেষে বলি, জীবন দুদিনের খেলাঘর। আমরা সবাই এই খেলাঘরে এসেছি দুদিনের তরে অভিনয় করতে। পাঠ শেষ হয়ে গেলে, আমরা আবার মঞ্চ থেকে নেমে আসবো। ৭০/৮০/১০০ বছরের এই কর্ম্মদেহ একদিন অকেজো হয়ে যাবে। যাবেই, এই নিয়ম স্বয়ং ঈশ্বরও ভাঙতে পারেন না। তো আমরা তো সামান্য জীব। তথাপি যে কথাগুলো আজ আমরা শুনলাম, তা যদি আমরা ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করতে পারি, তবে বৃদ্ধ বয়সে আমরা অবশ্যই ভালো থাকতে পারবো। শুধু ভাবুন, আমি তো ভালোই আছি, কেন ভালো থাকবো না, আমি তো অমৃতের সন্তান। আনন্দই আমার স্বভাব। আমিই সেই সৎ-চিৎ-আনন্দের অংশ।
ওম শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ। হরি ওম।
When it comes to aging, certain questions may arise, such as: Why do our bodies age, and how old can people get? But growing older is about more than just how many years you have lived.
Our bodies are complex organisms with countless features and functions. It is normal for damage or mistakes to occur in our cells and tissue over time. These changes aren't a problem in our younger years: Our bodies can simply repair many of them, or have enough reserves to make up for them. But the ability to deal with this damage decreases as we grow older. So it starts adding up, leading to signs of aging.
যখন বার্ধক্যের কথা আসে, তখন কিছু প্রশ্ন উঠতে পারে, যেমন: কেন আমাদের দেহের বয়স বাড়ে এবং মানুষের বয়স কত হতে পারে? কিন্তু বয়স্ক হওয়া মানে আপনি কত বছর বেঁচে আছেন তার চেয়েও বেশি।
আমাদের দেহগুলি অগণিত বৈশিষ্ট্য এবং ফাংশন সহ জটিল জীব। সময়ের সাথে সাথে আমাদের কোষ এবং টিস্যুতে ক্ষতি বা ভুল হওয়া স্বাভাবিক। এই পরিবর্তনগুলি আমাদের অল্প বয়সে কোনও সমস্যা নয়: আমাদের দেহগুলি কেবল তাদের অনেকগুলিকে মেরামত করতে পারে, বা তাদের জন্য পর্যাপ্ত সংরক্ষণ করতে পারে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই ক্ষতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। সুতরাং এটি যোগ করতে শুরু করে, যা বার্ধক্যের লক্ষণগুলির দিকে পরিচালিত করে।
When are we officially “old"?
In Germany, people between the ages of 60 and 75 are considered to be “of older age” or “elderly,” those between 75 and 90 are often described as “old,” and those between 90 and 100 are referred to as “very old.” People who are over 100 are called centenarians.
But the number of years you have lived is just one way to determine your age – which is then known as your chronological age. People of the same chronological age often haven't aged to the same extent, though. This can be explained by something known as your “biological age,” which is based on how healthy you are overall, as well as your physical and mental fitness.
আমরা কখন আনুষ্ঠানিকভাবে "পুরানো"?
জার্মানিতে, 60 থেকে 75 বছর বয়সী ব্যক্তিদের "বয়স্ক" বা "বয়স্ক" হিসাবে বিবেচনা করা হয়, 75 থেকে 90 বছরের মধ্যে যাদেরকে প্রায়শই "বৃদ্ধ" হিসাবে বর্ণনা করা হয় এবং 90 থেকে 100 বছরের মধ্যে তাদের "খুবই" হিসাবে উল্লেখ করা হয় পুরানো।" যাদের বয়স 100 এর বেশি তাদের শতবর্ষী বলা হয়।
কিন্তু আপনি কত বছর বেঁচে আছেন তা হল আপনার বয়স নির্ধারণের একটি উপায় – যা তখন আপনার কালানুক্রমিক বয়স হিসাবে পরিচিত। যদিও একই কালানুক্রমিক বয়সের লোকেরা প্রায়শই একই পরিমাণে বয়স্ক হয় না। এটি আপনার "জৈবিক বয়স" হিসাবে পরিচিত কিছু দ্বারা ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, যা আপনি সামগ্রিকভাবে কতটা সুস্থ, সেইসাথে আপনার শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার উপর ভিত্তি করে।
How old can people get?
Humans probably have a maximum lifespan of just over 120 years. But it is extremely rare for people to reach such an old age. In Germany, the average life expectancy is currently about 78 years for newborn boys and about 83 years for newborn girls. Statistically speaking, your life expectancy is a bit higher if you have already reached a certain age: For instance, a 60-year-old in Germany can expect to live to about 82 if they're a man, and to about 85 if they’re a woman. It's not clear why women tend to live longer than men.
It is thought that the age you reach is partly determined by the genes you have inherited – in other words, by the DNA in your cells. Some people may only start becoming frail later, and live longer, as a result. But other factors have a positive impact too. These include living a healthy lifestyle with a lot of exercise and a balanced diet, being emotionally stable and having an intact social network.
মানুষের বয়স কত হতে পারে?
মানুষের সম্ভবত সর্বোচ্চ জীবনকাল 120 বছরেরও বেশি। কিন্তু মানুষের এত বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছানো খুবই বিরল। জার্মানিতে, গড় আয়ু বর্তমানে নবজাতক ছেলেদের জন্য প্রায় 78 বছর এবং নবজাতক মেয়েদের জন্য প্রায় 83 বছর। পরিসংখ্যানগতভাবে বলতে গেলে, আপনি যদি ইতিমধ্যে একটি নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছে থাকেন তবে আপনার আয়ু কিছুটা বেশি: উদাহরণ স্বরূপ, জার্মানিতে একজন 60 বছর বয়সী যদি তারা একজন পুরুষ হন তবে তারা প্রায় 82 বছর বাঁচার আশা করতে পারেন এবং যদি তারা প্রায় 85 বছর বেঁচে থাকতে পারেন। আমি একজন মহিলা। কেন মহিলারা পুরুষদের তুলনায় বেশি দিন বাঁচে তা স্পষ্ট নয়।
এটা মনে করা হয় যে আপনি যে বয়সে পৌঁছেছেন তা আংশিকভাবে আপনার উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জিন দ্বারা নির্ধারিত হয় - অন্য কথায়, আপনার কোষের ডিএনএ দ্বারা। কিছু লোক কেবল পরে দুর্বল হতে শুরু করতে পারে এবং ফলস্বরূপ দীর্ঘকাল বাঁচতে পারে। তবে অন্যান্য কারণগুলিরও ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্য সহ একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, মানসিকভাবে স্থিতিশীল থাকা এবং একটি অক্ষত সামাজিক থাকা
What happens to your body when you age?
Your body is made up of various types of tissue. Some consist of cells that don't live long so they constantly have to be replaced – such as skin cells. Over the years, these cells are replaced at a slower pace because fewer skin cells can divide. In other organs, the cells don't ever divide. One example is nerve cells in the brain. Although these cells live for a long time, they may eventually die and aren’t replaced.
If cells aren’t renewed or if they die, the affected organs can no longer function as well as they did before. Many organs also lose mass (get smaller or “thin out”) over the years. But because our organs have large reserves in order to cope with greater strain when necessary, this shrinking of reserves isn't noticeable for a long time. The typical signs of aging only appear once the reserves have become a lot smaller. These signs of aging aren't medical problems, though, and it’s often possible to counteract them for a long time: For example, if muscles start becoming weaker, you can do exercises to strengthen them. Sports and exercise are considered to be good for you anyway, for instance to keep your cardiovascular system (heart and blood vessels) fit and other organs healthy.
আপনার বয়স হলে আপনার শরীরের কি হয়?
আপনার শরীর বিভিন্ন ধরনের টিস্যু দিয়ে গঠিত। কিছু কোষ নিয়ে গঠিত যেগুলি বেশি দিন বাঁচে না তাই তাদের ক্রমাগত প্রতিস্থাপন করতে হবে - যেমন ত্বকের কোষ। বছরের পর বছর ধরে, এই কোষগুলি ধীর গতিতে প্রতিস্থাপিত হয় কারণ কম ত্বকের কোষগুলি বিভক্ত হতে পারে। অন্যান্য অঙ্গে, কোষগুলি কখনও বিভক্ত হয় না। একটি উদাহরণ হল মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষ। যদিও এই কোষগুলি দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে, তারা শেষ পর্যন্ত মারা যেতে পারে এবং প্রতিস্থাপন করা হয় না।
যদি কোষগুলি পুনর্নবীকরণ না করা হয় বা যদি তারা মারা যায়, তবে প্রভাবিত অঙ্গগুলি আগের মতো কাজ করতে পারে না। বছরের পর বছর ধরে অনেক অঙ্গও ভর হারায় (ছোট হয়ে যায় বা "পাতলা হয়ে যায়")। কিন্তু যেহেতু আমাদের অঙ্গগুলিতে প্রয়োজনের সময় বৃহত্তর স্ট্রেন মোকাবেলা করার জন্য বড় মজুদ রয়েছে, তাই মজুদের এই সঙ্কুচিত হওয়া দীর্ঘ সময়ের জন্য লক্ষণীয় নয়। বার্ধক্যের সাধারণ লক্ষণগুলি কেবল তখনই প্রদর্শিত হয় যখন মজুদগুলি অনেক ছোট হয়ে যায়। যদিও বার্ধক্যজনিত এই লক্ষণগুলি চিকিৎসা সমস্যা নয়, এবং এটি প্রায়ই দীর্ঘ সময়ের জন্য তাদের প্রতিহত করা সম্ভব: উদাহরণস্বরূপ, যদি পেশী দুর্বল হতে শুরু করে, আপনি তাদের শক্তিশালী করার জন্য ব্যায়াম করতে পারেন। আপনার কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম (হার্ট এবং রক্তনালী) ফিট এবং অন্যান্য অঙ্গ সুস্থ রাখার জন্য খেলাধুলা এবং ব্যায়াম আপনার জন্য ভাল বলে মনে করা হয়।
What are the typical signs of aging?
Some signs of aging can be seen from the outside: Your hair turns gray, and wrinkles and age spots appear on your skin. Our bodies are less able to store fluid in older age, so our spinal discs shrink and lose elasticity, for instance. As a result, people get smaller as they grow older.
When these kinds of changes happen in organs and tissues inside the body, they usually aren't noticeable for a long time. In some people they only become apparent under strain or in very old age. In others, this happens sooner.
As we grow older, it takes longer for signals to travel along our nerves, and our brains can't process information as well as they used to. This makes it harder to remember new things and react quickly. Our sensory organs gradually decline too: for instance, it's typical to develop age-related farsightedness in your mid-forties and hearing problems in older age. Your ability to smell and taste things can get worse over time too.
বার্ধক্যের সাধারণ লক্ষণগুলি কী কী?
বার্ধক্যের কিছু লক্ষণ বাইরে থেকে দেখা যায়: আপনার চুল ধূসর হয়ে যায় এবং আপনার ত্বকে বলিরেখা এবং বয়সের দাগ দেখা যায়। আমাদের শরীর বয়স্ক বয়সে তরল সঞ্চয় করতে কম সক্ষম, তাই আমাদের মেরুদণ্ডের ডিস্কগুলি সঙ্কুচিত হয় এবং স্থিতিস্থাপকতা হারায়, উদাহরণস্বরূপ। ফলে মানুষ বড় হওয়ার সাথে সাথে ছোট হয়ে যায়।
যখন শরীরের অভ্যন্তরে অঙ্গ এবং টিস্যুতে এই ধরনের পরিবর্তন ঘটে, তখন সেগুলি সাধারণত দীর্ঘ সময়ের জন্য লক্ষণীয় হয় না। কিছু মানুষের মধ্যে তারা শুধুমাত্র চাপের অধীনে বা খুব বৃদ্ধ বয়সে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অন্যদের ক্ষেত্রে, এটি তাড়াতাড়ি ঘটে।
আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের স্নায়ু বরাবর সিগন্যাল ভ্রমণ করতে বেশি সময় লাগে এবং আমাদের মস্তিষ্ক আগের মতো তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারে না। এটি নতুন জিনিস মনে রাখা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া করা কঠিন করে তোলে। আমাদের সংবেদনশীল অঙ্গগুলিও ধীরে ধীরে হ্রাস পায়: উদাহরণস্বরূপ, চল্লিশের মাঝামাঝি বয়সে আপনার বয়স-সম্পর্কিত দূরদৃষ্টি এবং বৃদ্ধ বয়সে শ্রবণশক্তির সমস্যা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। আপনার গন্ধ এবং স্বাদ জিনিসের ক্ষমতা সময়ের সাথে আরও খারাপ হতে পারে।
What does growing older mean?
Growing older means having a wide range of experiences and going through changes – both mentally and physically. Throughout life, our body and mind adapt to external factors and events, including aging itself. This can happen subtly and subconsciously over a long period of time, for instance in the course of your working life or family life. Or it might happen more obviously and on purpose, for instance when training for a sporting goal or during rehabilitation after a serious illness.
People continue to change for as long as they live. Growing very old can be accompanied by loss and limitations, and the challenge of having to adapt to new circumstances again and again. But the aging process usually happens so slowly that this adaptation is constant and gradual. Because your family and friends grow older with you, you experience many of the changes together. When things start becoming more difficult, remaining physically active and drawing on your life experience and wisdom can help you to deal with a lot of the challenges you face.
Contentment and happiness are just as valuable in older age as they are in the earlier years of life. A lot of elderly people enjoy their retirement, free of many previous expectations and constraints. Some look for new tasks, while others are happy to have more time for themselves, their loved ones and friends. The important thing is to stay active for as long as possible – both mentally and physically.
বড় হওয়া মানে কি?
বয়স্ক হওয়া মানে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা থাকা এবং পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া – মানসিক এবং শারীরিকভাবে। সারা জীবন ধরে, আমাদের শরীর এবং মন বার্ধক্য সহ বাহ্যিক কারণ এবং ঘটনাগুলির সাথে খাপ খায়। এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য সূক্ষ্মভাবে এবং অবচেতনভাবে ঘটতে পারে, উদাহরণস্বরূপ আপনার কর্মজীবন বা পারিবারিক জীবন চলাকালীন। অথবা এটি আরও স্পষ্টভাবে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে ঘটতে পারে, উদাহরণস্বরূপ যখন একটি ক্রীড়া লক্ষ্যের জন্য প্রশিক্ষণ বা গুরুতর অসুস্থতার পরে পুনর্বাসনের সময়।
মানুষ যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন পরিবর্তন হতে থাকে। খুব বৃদ্ধ হওয়া ক্ষতি এবং সীমাবদ্ধতার সাথে হতে পারে এবং বারবার নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ হতে পারে। কিন্তু বার্ধক্য প্রক্রিয়া সাধারণত এত ধীরে ধীরে ঘটে যে এই অভিযোজন ধ্রুবক এবং ধীরে ধীরে হয়। যেহেতু আপনার পরিবার এবং বন্ধুরা আপনার সাথে বড় হয়, আপনি একসাথে অনেক পরিবর্তন অনুভব করেন। যখন জিনিসগুলি আরও কঠিন হয়ে উঠতে শুরু করে, তখন শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং আপনার জীবনের অভিজ্ঞতা এবং প্রজ্ঞার উপর আঁকা আপনাকে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে সাহায্য করতে পারে।
তৃপ্তি এবং সুখ বৃদ্ধ বয়সে ঠিক ততটাই মূল্যবান যেমন জীবনের আগের বছরগুলিতে। অনেক বয়স্ক মানুষ তাদের অবসর উপভোগ করেন, অনেক পূর্বের প্রত্যাশা এবং সীমাবদ্ধতা মুক্ত। কেউ কেউ নতুন কাজ খোঁজেন, অন্যরা নিজের জন্য, তাদের প্রিয়জন এবং বন্ধুদের জন্য বেশি সময় পেয়ে খুশি হন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যতক্ষণ সম্ভব সক্রিয় থাকা - মানসিক এবং শারীরিকভাবে।
Sources
Comments
Post a Comment