যোগসাধনার গুহ্যতত্ত্ব শ্রীগীতা - পঞ্চদশ অধ্যায় পুরুষোত্তম যোগঃ
ওম নারায়ণং নমস্কৃত্য নরঞ্চৈব নরোত্তমম দেবীং সরস্বতীং ব্যাসং ততো জয়মুদীরয়েৎ। ২৩.১২.২০২২ শশাঙ্ক শেখর সঙ্কলিত যোগসাধনার গুহ্যতত্ত্ব শ্রীগীতা - পঞ্চদশ অধ্যায় পুরুষোত্তম যোগঃ এর আগের অধ্যায়ে গুণত্রয় সম্পর্কে শুনেছি, গুনত্রয়ের প্রভাব থেকে মুক্ত হবার উপায় সম্পর্কে বলেছেন। এবার ত্রিগুণময় এই যে সংসার এর উৎপত্তি বৃদ্ধি, ক্ষয় কিভাবে সাধিত হয়, জীবনের চরম লক্ষ কি, পরমপুরুষই বা কি, তিনি কোথায় থাকেন , কি করেন ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বলা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টি সীমাবদ্ধ। তাই আমরা সীমিত দৃষ্টির সাহায্যেই সমস্ত বস্তুর মধ্যে সসীম রূপ দেখতে পাই। যখন আমাদের আন্তর্দৃষ্টি উন্মিলিত হবে, তখন আমরা সমস্ত বস্তুর মধ্যে নিত্য পূর্ণ স্বরূপকে দেখতে পাবো। আর তখনই আমাদের অনুভবে আসবে আমাদের প্রকৃত সত্তাটিকে। এখন আমরা নিজেদেরকে পরিবেশসৃষ্ট একটা ক্ষুদ্র প্রাণী বলে মনে করি। আর তাই বেঁচে থাকার জন্য, সামান্য সুখের জন্য, ভিক্ষারির মতো পরিবেশের কাছে, ভিক্ষাপাত্র নিয়ে ম্লানমুখে দাঁড়িয়ে আছি। ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করেছি। পূর্ণত্বের জন্মগত অধিকারী সেই অমৃত-মানব আজ আবর্জনার স্তুপ থেকে সামান্য সুখ-কনা খুঁজে বেড়াচ্ছি পাগল...